রাজনীতি

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ৪টি ইসলামিক দল

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সংসদে আসন পেতে সক্ষম হয়েছেন মাত্র ৯টি দল। এদের মধ্যে চারটি ইসলামি দল মোট ৭২টি আসনে জয়ী হয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস রচনা করেছে—১৯৭৩ সালের পর প্রথমবার একাধিক ধর্মভিত্তিক দল সংসদে প্রবেশ করলো।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে তারেক রহমান সরকার গঠনের জন্য বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন। তবে জামায়াতে ইসলামী ও তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক তিনটি ছোট ইসলামি দলও সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘রিকশা’ প্রতীকে দুটি আসনে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস ‘দেয়ালঘড়ি’ প্রতীকে একটি করে আসনে জয় পেয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয়ী, জামায়াতে ইসলামি ৬৮ আসন পায়, আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬ আসনে জয়লাভ করে। ইসলামি দলের বিজয় মধ্যম ও ছোট জেলা থেকে এসেছে, যেখানে নির্বাচিত প্রার্থীরা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ও জোটের সমর্থন রেখেছেন।

উল্লেখযোগ্য বিজয়গুলো:

  • মাদারীপুর-১: মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস/জামায়াত জোট)
  • ময়মনসিংহ-২: মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস/রিকশা)
  • সিলেট-৫: মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস/দেয়ালঘড়ি)
  • বরগুনা-১: মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ/হাতপাখা)

বাকি ইসলামি দলের প্রার্থীরা বেশ কয়েকটি আসনে শক্ত অবস্থান সত্ত্বেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিলেন। এই ফলাফলে স্পষ্ট যে, ইসলামি দলগুলো ২০২৪ সালের নির্বাচনে পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক প্রভাব অর্জন করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন দিক নির্দেশ করবে।

রাজনীতি

আরও দেখুন
পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ভাইরাল ভিডিও বিতর্কের ব্যাখ্যা দিলেন মাসুদ অরুণ

খাল খনন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের পর অবশেষে বিষয়টির অবসান ঘটেছে। পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কবি মাসুদ অরুণ পারস্পরিক সাক্ষাতে স্পষ্ট করেছেন, ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড়জনিত পরিস্থিতির ফল, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো আচরণ নয়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতের পর মাসুদ অরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে জানান, সংশ্লিষ্ট ভিডিওটি বাস্তব ঘটনার বিকৃত উপস্থাপন। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত জনসমাগমের মধ্যে স্বাভাবিক ধাক্কাধাক্কির একটি অংশ বিশেষভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা দুই নেতার পারস্পরিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে এ ঘটনায় কোনো প্রকার ইচ্ছাকৃত আক্রমণ বা অসদাচরণের উপাদান প্রতীয়মান হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে। উভয় পক্ষই বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে আখ্যায়িত করে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

পুনরায় রাজপথে নামার প্রস্তুতির ঘোষণা দিলেন নাহিদ ইসলাম

গুজব তোলে নিন্দুকরা, ছড়ায় অজ্ঞরা, আর বিশ্বাস করে নির্বোধরা: রুমিন ফারহানা

বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি

আপত্তি সত্ত্বেও ‘গণবিরোধী আইন’ পাস করায় বিরোধী দলের ওয়াকআউট

  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বাদশ দিনে একাধিক বিল পাসকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলীয় জোট অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে তারা সম্মিলিতভাবে কক্ষ ত্যাগ করে। ওয়াকআউটের আগে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিরোধী পক্ষের উত্থাপিত যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি বিল পাস করা হয়েছে, যা জনস্বার্থবিরোধী। এ প্রেক্ষাপটে উক্ত আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার দায়ভার এড়াতেই তারা সংসদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। এদিন অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একাধিক অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয় এবং কিছু অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন আইন পাস করা হয়। যেসব প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন ধারায় বিরোধী জোট আপত্তি জানিয়েছে, তার মধ্যে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিল, জেলা পরিষদ সংশোধন বিল ২০২৬, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংশোধন-সংক্রান্ত বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত বিলসহ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল উল্লেখযোগ্য। ঘটনাটি সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী মতামতের প্রতিফলন ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল তার চূড়ান্ত সাক্ষী আল্লাহ: জামায়াত আমির

৮ এপ্রিল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করবে ছাত্রশিবির

সরকারের ভাবে মনে হয় বাংলাদেশ তেলের স্রোতে ভাসছে: শফিকুর রহমান

ডা. তাসনিম জারা
স্বাধীন নয় ‘নিয়ন্ত্রণশীল’ দুদক চায় সরকার: তাসনিম জারা

নির্বাহী সরকারের প্রভাববহুল দুর্নীতি দমন পরিকল্পনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক এনসিপি নেতা ডা. তাসনিম জারা। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, “যে কমিশন সরকারের দয়ায় গঠিত হয়, তা কখনোই স্বতন্ত্রভাবে সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না।”  জারা উল্লেখ করেছেন, সরকার একটি অধ্যাদেশ বাতিল করতে চাইছে যা দুদককে প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই বড় আর্থিক দুর্নীতি বা অর্থপাচারের মামলা দায়েরের ক্ষমতা দিত। এছাড়া, একটি স্বতন্ত্র বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাবও স্থগিত রাখা হয়েছে। জারা বলেন, “হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির ক্ষেত্রে প্রাথমিক অনুসন্ধানকে ব্যবহার করে অপরাধীদের পালানোর সুযোগ দেওয়া অযৌক্তিক। একটি কার্যকর দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা অবশ্যই সরকারের প্রভাবমুক্ত হতে হবে।” তিনি সতর্ক করেছেন, সরকার যদি স্বাধীন বাছাই কমিটি গঠন না করে, তবে দুদক হবে “সরকার নির্ভরশীল” এবং বিরোধী দলকে দমন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হবে। তিনি আইন বাতিলের পরিবর্তে সংশোধনের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন সংস্থাকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ত্যাগ করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

‘জঙ্গি এমপি’ সম্বোধনে স্পিকারের কাছে বিচার চাইলেন হানজালা

“পাম্প বন্ধ, রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি—মন্ত্রী কি দেখছেন না?” : সংসদে হাসনাতের প্রশ্ন

0 Comments