আন্তর্জাতিক ভাষা দক্ষতা পরীক্ষাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি হলো IELTS (International English Language Testing System)। যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি কিংবা অভিবাসনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পরীক্ষায় ভালো স্কোর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই পরীক্ষায় সফল হতে হলে সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। নিচে আইইএলটিএস প্রস্তুতির ১০টি কার্যকর ধাপ তুলে ধরা হলো যা অনুসরণ করলে আপনি সহজেই ভালো স্কোর অর্জন করতে পারবেন।
নিচে "আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ" শিরোনামে একটি SEO-ফ্রেন্ডলি, ৫০০ শব্দের নিউজ ওয়েবসাইট উপযোগী বাংলা আর্টিকেল দেওয়া হলোঃ
প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে IELTS এর চারটি সেকশন – Listening, Reading, Writing ও Speaking – কীভাবে কাজ করে। প্রতিটির প্রশ্নপদ্ধতি, সময়সীমা এবং মূল্যায়ন কৌশল ভালোভাবে বুঝে নিন।
IELTS প্রস্তুতির জন্য কমপক্ষে ২–৩ মাস সময় নিয়ে একটি রুটিন তৈরি করুন। কোন দিন কী পড়বেন, কোন স্কিলগুলোর উপর বেশি ফোকাস করবেন – এসব পরিকল্পনা আগেই নির্ধারণ করে নিন।
নিউজপেপার, ম্যাগাজিন, ব্লগ, বা ইংরেজি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে Reading স্কিল উন্নত হয়। নতুন শব্দ শিখুন এবং সেগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
Listening অংশে ভালো করার জন্য ইংরেজি পডকাস্ট, BBC News, TED Talks ইত্যাদি নিয়মিত শুনুন। এতে উচ্চারণ, টোন এবং বোঝার দক্ষতা বাড়বে।
Academic বা General – আপনি যেই IELTS টাইপ দিন না কেন, Writing Task 1 ও 2 নিয়মিত অনুশীলন করুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা বন্ধুর সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করুন। বিষয়ভিত্তিক স্পিকিং টপিক নিয়ে রিহার্সাল দিন।
IELTS অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম থেকে মক টেস্ট দিয়ে নিজের স্কোর যাচাই করুন। এতে সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়বে।
যেসব প্রশ্নে ভুল করেন সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং কেন ভুল হয়েছে তা বুঝে ঠিক করার চেষ্টা করুন। ভুল সংশোধন IELTS প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যদি সম্ভব হয়, তাহলে অভিজ্ঞ IELTS কোচের কাছে গাইডলাইন নিন। তারা আপনার দুর্বল দিক চিহ্নিত করে সঠিক পথ দেখাতে পারবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিকভাবে দৃঢ় থাকা। পরীক্ষা যতই কঠিন হোক না কেন, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখলে আপনি সফল হবেন।
IELTS এ ভালো স্কোর পাওয়া কোনো অলৌকিক বিষয় নয়, এটি পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও ধারাবাহিক প্রস্তুতির ফল। উপরের ১০টি ধাপ মেনে চললে আপনি নিশ্চয়ই কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ড স্কোর অর্জনে সক্ষম হবেন। আজ থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন এবং আপনার স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছে যান।
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ বিধান কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন বা আচরণগত অনিয়মের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে বহিষ্কার না করে পরবর্তীতে তার উত্তরপত্র বাতিলের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে। নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে, দায়িত্বরত পরিদর্শক পরীক্ষার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে চিহ্নিত করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দেবেন। এ ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকের লিখিত প্রতিবেদনে বহিষ্কারের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার ফলাফল আইনগতভাবে অকার্যকর গণ্য হবে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাচ্ছেন ঢাবির সহ–উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ। সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন। এর আগে ইউজিসির বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে আবেদন করেন। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও সম্প্রতি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান রাষ্ট্রপতির কাছে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন এবং নিজ বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে ফিরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর উচ্চশিক্ষা খাতের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে পুনর্বিন্যাস শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির নেতৃত্বে এই নতুন পরিবর্তন আসছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে সাপ্তাহিক শুক্র ও শনিবার ছাড়া বছরে মোট ৬৭ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন উপলক্ষে ২০ থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন ছুটি নির্ধারিত হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে অর্ধবার্ষিক, প্রাক-নির্বাচনী, নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণের পাশাপাশি পরীক্ষার সময়সীমা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও তারিখ পরিবর্তনে পূর্বানুমতির বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে পাঠদান স্থগিত বা শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখার বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।